ভাইয়ের ঈর্ষা, বোনের আত্মসমর্পণ - অধ্যায় ৮

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-74265-post-6262428.html#pid6262428

🕰️ Posted on Sun Jul 12 2026 by ✍️ nila60 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 984 words / 4 min read

সময় বয়ে চলছিল। রাহিম আর রিয়ার সম্পর্ক এখন পুরোপুরি খোলামেলা। মা মুমিনা জানতেন, দেখতেন, কিন্তু কিছু বলতেন না। বরং তিনি তাদের আরও সুযোগ করে দিতেন। যেনো তার সন্তানরা সুখী হোক। একদিন দুপুরে। আম্মু বাজারে যাওয়ার কথা বলে বের হলেন। কিন্তু মাঝপথে ফিরে আসলেন। চাবি হারিয়ে ফেলেছিলেন। তিনি দ্রুত বাড়ি ফিরলেন। দরজার সামনে এসে দেখলেন দরজা খোলা। ভেতর থেকে অদ্ভুত শব্দ ভেসে আসছে। ঠপ ঠপ ঠপ — এই শব্দ। আর ছেলে-মেয়ের আওয়াজ। মা মুমিনা দরজার ফাঁক দিয়ে তাকালেন। দেখলেন এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য। রাহিম আর রিয়া পুরোপুরি নগ্ন। বিছানায়। রিয়া ভাইয়ের উপর উঠে আছে। লিঙ্গ গুদে ঢুকিয়ে লাফাচ্ছে। দুই স্তন ঝুলে ঝুলে উঠছে। রাহিম নিচ থেকে ঠেলা দিচ্ছে। দুজনেই জোরে জোরে শব্দ করছে। "আহ্ আহ্ ভাই, আরও জোরে," রিয়া চিৎকার করছে। "চোদছি বোন, চোদছি," রাহিম বলছে। মা মুমিনা স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তিনি দাঁড়িয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। দেখলেন তার ছেলে কিভাবে মেয়েকে চোদছে। দেখলেন মেয়ে কিভাবে উপভোগ করছে। দুই স্তন ঝুলে ঝুলে উঠছে। গুদে লিঙ্গ ঢুকছে বের হচ্ছে। মা মুমিনা অনুভব করলেন তার নিজের শরীরে এক অদ্ভুত শিহরণ। তিনি চোখ সরিয়ে নিলেন। ধীরে পায়ে চলে গেলেন। দরজা চুপচাপ বন্ধ করে দিলেন। আর চাবির কথা ভুলে গিয়ে বের হয়ে গেলেন। ভেতরে রাহিম আর রিয়া টের পায়নি কিছু। তারা পুরোপুরি মগ্ন ছিল তাদের নিষিদ্ধ খেলায়। রিয়া দ্রুত লাফাচ্ছিল। রাহিম নিচ থেকে ঠেলা দিচ্ছিল। তাদের শরীরের শব্দ ঘর ভরে উঠেছিল। "আমি আসছি বোন," রাহিম বললো। "আমিও ভাই," রিয়া বললো। দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেলো। রাহিম বোনের ভেতরেই বের করে দিলো। রিয়া ভাইয়ের উপর শুয়ে পড়লো। সন্ধ্যায় মা মুমিনা ফিরলেন। তিনি স্বাভাবিকভাবে আচরণ করলেন। কিন্তু রাহিম আর রিয়া বুঝতে পারলো মা কিছু একটা জানেন। "আম্মু, তুমি দুপুরে এসেছিলে?" রিয়া জিজ্ঞেস করলো। "হ্যাঁ, এসেছিলাম। কিন্তু দেখলাম তোরা ঘুমাচ্ছিস। তাই চলে গেলাম," মা বললেন। রাহিম আর রিয়া একে অপরের দিকে তাকালো। তারা বুঝতে পারলো মা সব দেখেছেন। "আম্মু, আমরা..." রিয়া বলতে শুরু করলো। "কিছু বলতে হবে না। তোরা বড় হয়েছিস। নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিশ," মা বললেন। "তুমি রাগ করোনি?" রাহিম জিজ্ঞেস করলো। "রাগ করবো কেনো? তোরা সুখী আছিস। আমি তো তাই চাই," মা বললেন। রাহিম আর রিয়া অবাক হয়ে গেলো। তারা বুঝতে পারলো মা পুরোপুরি মেনে নিয়েছেন। "তোরা এখন স্বাধীনভাবে থাকতে পারিস। আমি বাধা দেবো না," মা বললেন। রিয়া দৌড়ে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরলো। "আম্মু, তুমি সেরা," রিয়া বললো। মা হাসলেন। রাহিমও এগিয়ে এলো। মাকে জড়িয়ে ধরলো। এরপর থেকে মা মুমিনা আরও স্বাধীনতা দিতে শুরু করলেন। দিনের বেলাতেও তিনি বের হয়ে যেতেন। বলতেন, "তোরা ঘরে থাক। আমি বাজারে যাচ্ছি। কেউ আসবে না।" রাহিম আর রিয়া বুঝতো এটা তাদের সুযোগ। তারা দিনের বেলাতেও সেক্স করতে লাগলো। একদিন দুপুরে। আম্মু বাজারে গেছেন। রাহিম আর রিয়া রিয়ার রুমে ছিল। দুজনেই সম্পূর্ণ নগ্ন। বিছানায় শুয়ে চুমু খাচ্ছিল। রাহিম বোনের ঠোঁট চুষছিল। হাত দিয়ে স্তন টিপছিল। রিয়া ভাইয়ের লিঙ্গ হাতে নিয়ে ঘষছিল। "ভাই, দিনের বেলা করছি। কেমন লাগছে?" রিয়া জিজ্ঞেস করলো। "আরও ভালো লাগছে বোন। আলোয় তোর শরীর সুন্দর দেখাচ্ছে," রাহিম বললো। সে বোনকে শুইয়ে দিলো। নিজে বোনের দুই পায়ের মাঝে বসলো। লিঙ্গ হাতে নিয়ে গুদে ঢুকিয়ে দিলো। "আহ্ ভাই," রিয়া চিৎকার করলো। রাহিম ঠাপাতে লাগলো। রিয়া নিচ থেকে ঠেলা দিতে লাগলো। দুজনেই জোরে জোরে শব্দ করতে লাগলো। "আহ্ আহ্ ভাই, আরও জোরে," রিয়া চিৎকার করলো। রাহিম আরও জোরে ঠাপাতে লাগলো। রিয়ার স্তন দুটো ঝুলে ঝুলে উঠছিল। রাহিম হাত দিয়ে ধরে টিপতে লাগলো। দুজনে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেলো। রাহিম বোনের ভেতরেই বের করে দিলো। দুজনেই হাপাতে লাগলো। কিছুদিন পর। রিয়া আবার তানভীরের সাথে ফোনে কথা বলছিল। সে সোফায় বসে ছিল। রাহিম পাশে এসে বসলো। "হ্যাঁ তানভীর, বলো," রিয়া বললো। "আমি তোমাকে মিস করছি," তানভীর বললো। "আমিও," রিয়া বললো। রাহিম হাত দিয়ে বোনের সালোয়ারের কোমরবন্ধ খুলতে লাগলো। রিয়া চমকে উঠলো, কিন্তু মুখে কিছু বললো না। "কাল দেখা করতে পারবো?" তানভীর জিজ্ঞেস করলো। "ঠিক আছে," রিয়া বললো, যদিও রাহিম এখন তার সালোয়ার খুলে ফেলছে। রাহিম সালোয়ার পুরোপুরি খুলে ফেললো। এখন রিয়া শুধু প্যান্টি পরে আছে। রাহিম হাত দিয়ে প্যান্টি সরিয়ে দিলো এক পাশে। "তুমি কি শুনছো?" তানভীর জিজ্ঞেস করলো। "হ্যাঁ, শুনছি," রিয়া বললো, যদিও রাহিম এখন তার পেছনে যাচ্ছে। রাহিম বোনকে ঘোরালো। এখন রিয়া সোফায় হাঁটু দিয়ে বসে আছে। মুখ বালিশে ঠেসে দিয়েছে। রাহিম পেছন থেকে নিজের লিঙ্গ বের করে নিলো। বোনের গুদে ঢুকিয়ে দিলো। "আহ্," রিয়া চিৎকার করতে গেলো, কিন্তু মুখ চেপে ধরলো বালিশে। "কী হলো?" তানভীর জিজ্ঞেস করলো। "কিছু না," রিয়া বললো, যদিও রাহিম এখন তার গুদে লিঙ্গ ঢুকিয়ে ঠাপাচ্ছে। রাহিম ডগি স্টাইলে বোনকে চোদতে লাগলো। রিয়া বালিশে মুখ চেপে ধরে রাখলো। কান্নার মতো আনন্দের শব্দ বের হচ্ছিল, কিন্তু সে চেপে ধরছিল। "তোমার কণ্ঠ কেমন যেনো হচ্ছে," তানভীর বললো। "সব ঠিক আছে," রিয়া কষ্ট করে বললো, যদিও রাহিম এখন আরও জোরে ঠাপাচ্ছে। রাহিম এই ঝুঁকিতে আরও উত্তেজিত হয়ে উঠলো। সে আরও জোরে ঠাপাতে লাগলো। রিয়ার স্তন দুটো ঝুলে ঝুলে উঠছিল। সে এক হাত দিয়ে স্তন ধরে টিপতে লাগলো। "তুমি কি ঠিক আছো? তোমার শব্দ কেমন যেনো হচ্ছে," তানভীর বললো। "হ্যাঁ, সব ঠিক আছে," রিয়া কষ্ট করে বললো, যদিও রাহিম এখন আরও গভীরভাবে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। রাহিম পেছন থেকে বোনের কোমর ধরে ঠাপাতে লাগলো। রিয়া বালিশে মুখ চেপে আনন্দের শব্দ চেপে রাখছিল। তার শরীর কাঁপছিল। "আমি কাল তোমার জন্য একটা গিফট আনবো," তানভীর বললো। "ঠিক আছে," রিয়া বললো, যদিও রাহিম এখন ক্লাইম্যাক্সের কাছাকাছি। রাহিম আরও জোরে ঠাপাতে লাগলো। রিয়াও ক্লাইম্যাক্সের কাছাকাছি। সে বালিশে মুখ চেপে চিৎকার করলো আনন্দে। "আমি আসছি বোন," রাহিম ফিসফিস করে বললো। "আমিও," রিয়া বললো। দুজনে একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেলো। রাহিম বোনের ভেতরেই বের করে দিলো। রিয়া বালিশে মুখ চেপে হাপাতে লাগলো। "তুমি কি শুনছো?" তানভীর জিজ্ঞেস করলো। "হ্যাঁ, শুনছি," রিয়া দুর্বল গলায় বললো। "তোমার কণ্ঠ কেমন যেনো হলো," তানভীর বললো। "একটু ঠান্ডা লেগেছে," রিয়া বললো। রাহিম বোনের পেছন থেকে সরে এলো। রিয়া উঠে বসলো। তার শরীর এখনো কাঁপছিল। "আমি একটু পরে কথা বলি," রিয়া বললো। "ঠিক আছে," তানভীর বললো। রিয়া ফোন রেখে দিলো। তারপর রাহিমের দিকে তাকালো। মুখে একটা অদ্ভুত হাসি। "তুই খুব খারাপ ভাই," রিয়া বললো। "তোর জন্য," রাহিম বললো। রিয়া হাসলো। রাহিম বোনকে জড়িয়ে ধরলো। দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে পড়লো সোফায়। "আমি তোকে অনেক ভালোবাসি বোন," রাহিম বললো। "আমিও ভাই," রিয়া বললো। তারা জানতো, তাদের এই নিষিদ্ধ সম্পর্ক এখন পুরোপুরি নিরাপদ। মা মুমিনা সব জানেন, সব দেখেন, কিন্তু কিছু বলেন না। বরং তাদের সুযোগ করে দেন। তারা এখন স্বাধীনভাবে একে অপরকে ভালোবাসতে পারে। যেখানে ইচ্ছা, যখন ইচ্ছা