মা ও ছেলের গল্প - অধ্যায় ১৬

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73998-post-6235473.html#pid6235473

🕰️ Posted on Tue Jun 9 2026 by ✍️ emon295 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 393 words / 1 min read

( পর্ব - 22 ) p { } পরদিন সকালে ঘড়িতে যখন ৮টা বাজল, আসিফ তখনো কম্বল মুড়ি দিয়ে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। আগের রাতের সেই মিষ্টি সকালের পরিবেশ এক নিমেষে উধাও হয়ে গেল। রান্নাঘর থেকে বের হয়ে রাবেয়া বেগম যখন দেখলেন তাঁর ২৭ বছরের ধেড়ে ছেলে এখনো বিছানায় মটকা মেরে পড়ে আছে, তখন তাঁর ৪৫ বছর বয়সী রাগী মায়ের রূপ চড়া চন্ডালে চড়ে গেল। p { } তিনি আসিফের ঘরের দরজায় এসে দুই হাত কোমরে দিয়ে চিৎকার করে উঠলেন, "আসিফ! ৮টা বেজে গেছে! তোর কি ঘুম থেকে ওঠার কোনো লক্ষণ আছে? নাকি সারা জীবন এই বিছানাতেই কাটিয়ে দিবি?" p { } কিন্তু আসিফ ক্লান্তির কারণে ঘুমের ঘোরে মায়ের কথা শুধু একটু শুনে পাশ ফিরে আবার ঘুমিয়ে পড়ল। ছেলের এই গা-ছাড়া ভাব দেখে রাবেয়া বেগমের রাগ আর নিয়ন্ত্রণে রইল। তিনি সোজা ঘরে ঢুকে আসিফের গায়ের কম্বলটা এক হেঁচকায় টেনে ফেলে দিলেন। p { } তারপর বিছানার পাশে থাকা প্লাস্টিকের হাতপাখাটা তুলে নিয়ে আসিফের পিঠে আর পায়ে দমাদ্দম কয়েকটা বাড়ি বসিয়ে দিলেন। প্লাস্টিকের তৈরি শক্ত পাখাটি যখন আসিফের সুতির গেঞ্জি আর কাপড়ের ওপর এসে পড়ছিল, তখন প্রতিবারই "চটাস চটাস" করে বেশ জোরালো ও সশব্দ আওয়াজ হচ্ছিল। মারতে মারতে রাগী গলায় বলতে লাগলেন, "লাটসাহেবের বাচ্চা! প্রতিদিন এক নাটক! মার না খেলে তোর কোনোদিন আক্কেল হবে না! ওঠ বলছি, এখনই ওঠ!" p { } মায়ের হাতের চড়া মার খেয়ে আসিফের মুখ থেকে "উফ মা!", "আহ্ লাগল তো!" শব্দগুলো করে লাফিয়ে বিছানায় উঠে বসল। পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে সে মায়ের লাল হয়ে যাওয়া রাগী মুখের দিকে তাকাল। মার খেলেও আসিফ তার স্বভাবসুলভ শান্ত ভাবটা হারাল না। সে মুখটা একটু কাঁচুমাচু করে, পিঠ চুলকাতে চুলকাতে বলল, "উফ মা! ছোট্টো কালের মতো এখনো এই ২৭ বছর বয়সেও আমাকে এভাবে মারলে? পিঠটা তো একদম লাল করে দিলে!" p { } ছেলের ওই শান্ত আর আদুরে ফেস দেখে রাবেয়া বেগমের রাগটা একটু থমকে গেল, যদিও তিনি হাতপাখাটা উঁচিয়ে বললেন, "২৭ বছর হয়েছে তো কী হয়েছে? তুই ১০০ বছর বয়সী বুড়ো হলেও আমার কাছে ওই মার খাওয়ার যোগ্যই থাকবি! জলদি বিছানা ছাড়, হাত-মুখ ধুয়ে নাস্তা করতে আয়। আর এক মিনিটও যদি বিছানায় দেখি, তবে এবার ঝাড়ু নিয়ে আসব!" p { } এই বলে রাবেয়া বেগম হনহন করে রান্নাঘরের দিকে চলে গেলেন। আর আসিফ পিঠের ব্যথা ভুলে মুচকি হেসে বিছানা থেকে নামল। সে মনে মনে ভাবল—মায়ের এই হাতের মার আর রাগের মধ্যেই তো আসলে তার পুরো পৃথিবীর সবচেয়ে খাঁটি ভালোবাসাটা লুকিয়ে আছে। p { } রাবেয়া বেগমের রাগ ভাঙাতে আসিফ এবার কি করবে ?