মা ও ছেলের গল্প - অধ্যায় ১২
( পর্ব -18 )p {
} আসিফ মায়ের হাত ধরে ড্রইংরুমের বড় আয়নাটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। আয়নায় মায়ের প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে সে অত্যন্ত মুগ্ধতা ও গভীর শ্রদ্ধার সাথে কথা বলতে লাগল।
সে রাবেয়া বেগমের দিকে তাকিয়ে বলল, "মা, তোমার এই সতেজ ও প্রাণবন্ত শরীর আর চেহারার দিকে তাকালে আজ কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায় না যে তোমার বয়স ৪৫ বছর। তুমি নিজের জীবনের সব কষ্ট আর ঝড় একাই সামলেছ, কিন্তু কখনো নিজের ভেতরের এই চিরযৌবনা ও সজীব রূপটাকে হারিয়ে যেতে দাওনি। আজ এই নতুন শাড়ি আর আধুনিক ব্লাউজে তোমাকে এতটাই চমৎকার ও তরুণী দেখাচ্ছে যে, যে কেউ তোমাকে দেখলে মুগ্ধ হতে বাধ্য।"p {
l
} আসিফের মুখে নিজের এই সুন্দর ও সতেজ শরীরের এমন অকপট প্রশংসা শুনে রাবেয়া বেগমের বুকটা এক অদ্ভুত আত্মবিশ্বাসে ভরে উঠল। তিনি আয়নায় নিজের দিকে তাকিয়ে নিজের হারিয়ে যাওয়া রূপকে নতুন করে আবিষ্কার করলেন। বছরের পর বছর সংসারের হাড়ভাঙা খাটুনি আর রাগের আড়ালে তিনি ভুলেই গিয়েছিলেন যে তাঁর নিজেরও একটা সুন্দর অবয়ব আছে।ছেলের এই গভীর ও সম্মানজনক কথাগুলো রাবেয়া বেগমের মনের ভেতরের সব জড়তা ও বয়সজনিত ক্লান্তি এক নিমেষে দূর করে দিল। তিনি আসিফের মাথায় হাত রেখে পরম স্নেহে বললেন, "তোর এই সুন্দর চোখ আর ভালোবাসার জন্যই আজ আমাকে এত সুন্দর দেখাচ্ছে রে বাবা।"
p {
} মায়ের এই সুন্দর ও আত্মবিশ্বাসী রূপ দেখে আসিফ এবার কি করবে ?