মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ৬৫

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73963-post-6233095.html#pid6233095

🕰️ Posted on Sat Jun 6 2026 by ✍️ mabonerswami312 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 572 words / 2 min read

আমি- না আমি আজ বাড়িতে গাছ তলায় বাবা মা আমি সবাই ঘুমিয়েছি। এখন আর ঘুম হবেনা। দিদি- আমি একটু ঘুমাবো। তোমরা গল্প কর। জামাইবাবু- আচ্ছা তুমি ঘুমাও বাবুর পাশে আমারা ও ঘরে বসে গল্প করি যাওয়ার আগে তোমাকে ডেকে নেব। দিদি- তাই কর যাও তোমরা গল্প কর। জামাইবাবু- চল ভাই আমরা ওঘরে যাই। বলে আমরা চলে এলাম। দরজা বন্ধ করে দাদা এই প্রেমিকা আছে নাকি। আমি- না তেমন কেউ জোটেনি দাদা। জামাইবাবু- কি যে বলিস শালা এই বয়েসে একটা মাল জোগার করতে পারলিনা। আমি- না আমার যা অবস্থা প্রেম করতেও টাকা লাগে দাদা এই ভয়তে কারো দিকে তাকাই না। জামাইবাবু- চাকরি পেলে তো লাগবে তখন কোথায় পাবি। আমি- আপনারা খুঁজে দেবেন। জামাইবাবু- এক নম্বর পাবিনা। কারো ব্যবহার করা পাবি রাস্তা ঘাটে যা দেখি কেউ ফাঁকা নেই। আমি- আপনি প্রেম করেছেন। জামাইবাবু- নারে ভাই তবে তোর দিদিকে পেয়ে খুশী। আমি- আমিও পাবো সে আশা আছে, আর না পেলে অসুবিধা নেই আমি একা থাকতে পারব। জামাইবাবু- কেনো ওটায় কোন সমস্যা আছে কি। দাড়ায় ঠারায় তো ঠিক মতন। আমি- কি যে বলেন দাদা, এসব কেউ আলোচনা করে নাকি লজ্জা করেনা আপনি না। জামাইবাবু- তুই বিয়ে করলে তোর বউকে নিয়ে তো আমি থাকবো, দিবি তো। আমি- আপনি নিতে পারলে আমার আপত্তি নেই আগেই বলে দিলাম। জামাইবাবু- এইজন্য তোকে আমার ভালো লাগে তুই আসলে আমার সত্যি খুব আনন্দ হয়।তোর সাথে কথা বলে ভালো লাগে। একটা চাকরি হোক দেখে শুনে আমি আর তোর দিদি একটা এনে দেব। আমার ইয়উং বয়সে কত স্বপ্ন ছিল জানিস। আমি- কি জামাইবাবু। জামাইবাবু- তোকে বললে আবার দিদিকে বলে দিবি না তো। আমি- আপনি পাগল দিদিকে বলে দেব। জামাইবাবু- আমার এক বন্ধু ছিল বিভুতি ওর সাথে অনেক গল্প করতাম, সেই কলেজ জীবনের কথা তখন আমরা বলতাম দুজনে বিয়ে করে বউ বদল করব বলে হেঁসে দিল। কিন্তু সে কি হয় আমার বন্ধুটা অকালে মারা গেছে জানিস। তোর দিদিকে বলেছি সে তো হেঁসে পাগল। পরে বলেছে তুমি এমন আমি তো বুঝতে পারিনি। তুমি আসল একটা পাগল, এইভাবে কেউ কাউকে কথা দেয়। আমি- দিদিকে তো একবার দেখেই পছন্দ করেছিলেন তাই না। আসলে আমার দিদি এত সুন্দরী যে দেখেছে সেই পছন্দ করেছে কিন্তু পেয়ে গেলেন আপনি, আসলে কি জানেন দাদা চাকরির এত দাম। জামাইবাবু- সত্যি বলব তোদের বাড়ি যেদিন যাই প্রথমবার তোর মাকে দেখে বুঝেছিলাম এমন মায়ের মেয়ে ভালো হবেই তাই তখন মনে মনে ঠিক তোর দিদি যেমন হোক বিয়ে করব। কিন্তু যা চেয়েছি তার থেকেও ভালো পেয়ে গেছি, তোর দিদিকে আমার সহধর্মিণী পেয়ে আমার জীবন ধন্য। আমাকে সে বোঝেরে। আমি- ও তারমানে শাশুড়ি দেখেই পছন্দ হয়ে গেছে আপনার তাইত। সত্যি বলতে কি মা আর দিদি এক ছাচের বুঝলেন। জামাইবাবু- এই তোকে বন্ধু ভেবে সব বলছি ভাই কিছু মনে করছিস না তো। তুই শুধু আমার শালা না আমার ভালো বন্ধু হতে পেরেছিস। আমি- না না আমারা সম্পরকে শালা ভগ্নীপতি একটু আলচনা করাই যায়। মনে করার কি আছে। মন খুলে বলতে পারেন। বন্ধু যখন ভেবেছে সব বলবেন আমাকে আর আমিও আপনাকে বলব। জামাইবাবু-এইত একদম মনের মতন কথা বলেছিস ভাই তবে তোর মা যা কষ্ট করে সত্যি ভাই ভাবা যায় না। মায়ের প্রতি খেয়াল রাখিস পরের মেয়ে এনে মাকে ভুলে জাসনা যেন। মা খুব ভালো। আমি- সত্যি দাদা মায়ের মতন একজন পাওয়া খুব কষ্টের। এমন মনের মানুষ পাওয়া যাবেনা। আমার মা জানি তো। সব সময় আমাদের সুখের কথা চিন্তা করে আর মা না সব দিক দিয়ে অন্য মহিলার থেকে আলাদা, উনি আমাদের বোঝেন। জামাইবাবু- এবার বুঝেছিস কেন মাকে দেখেই তোর দিদিকে বিয়ে করতে কেন চেয়েছি, আমরা চিনিরে মানুষ। আমি- তারমানে শাশুড়ি চাঙ্গা হলে মেয়েও চাঙ্গা হবে তাইত। আপনাত চিন্তা ভাবনা ভালো আমাকেও এইরকম ভাবতে হবে দাদা, আপনার শালা না আমি।