মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ৪
মা- হয়েছে হয়েছে একটা চাকরি পেলে আমার জীবন সার্থক। যা এবার একটু ঘুরে ফিরে আয়।
আমি- তুমি কি করবে এখন।
মা- যাই পাশের খেতে একটু চাশবাস করি সব্জির চাষ।
আমি- চল আমিও যাই তোমার সাথে।
মা- যাবি তো চল বলে আমারা মা ছেলে গেলাম খেতে। বেগুন আর লঙ্কা চাষ করেছে মা।
আমি- কি করবে আগাছা পরিস্কার।
মা- হ্যা জল দিতে হবে বেগুন তুলতে হবে। বেশী সময় লাগবেনা।
আমি- আচ্ছা বল আমি কি করব।
মা- জল নিয়ে আয় বালতি করে পুকুর থেকে।
আমি- ওকে মা বলে বালতি নিয়ে জল আনলাম।
মা- দাড়া বেগুন তুলে নেই বলে খেতের ভিতর গেল। আমাকে বলল ঝুরি নিয়ে আয় অনেক হবে।
আমি- আচ্ছা বলে মায়ের পেছন পেছন গেলাম।
মা- বেগুন ছিরে আমার কাছে দিল সরু লম্বা বেগুন।
আমি- মা বেশ লম্বা আর সুন্দর বেগুন, এইগুল ভালো জাত বুঝি।
মা- হ্যা এগুলো খেতে ভালো, জান্ত মাছ সর্ষে বাটা দিয়ে রাঁধলে খেতে খুব ভালো লাগে।
আমি- মোটা গুলো পুড়িয়ে খেতে ভালো লাগে, এগুলো কেমন কি পোড়ানো যাবে।
মা- আছে ওগুলোও আছে সামনের দিকে চল পাওয়া যাবে। পোড়া খাবি।
আমি- হ্যা মা আমি পোড়া খাব তুমি এই লম্বা গুল যেমন খুশী খেও।
মা- আচ্ছা রাতে পুড়িয়ে দেব আর এগুলো রেখে দেব কালকে খাস।
আমি- মা রাখলে নরম হয়ে যাবেনা।
মা- না না এক রাতে কি হবে। তুই আবার টিপে নরম করিস না। যেভাবে ধরছিস।
আমি- মা যা বলনা কেন ধরতে খুব ভালো। বলে মায়ের সামনে আঙ্গুলের মধ্যে দিয়ে কয়েকবার ঢোকালাম বের করলাম।
মা- মুস্কি হেঁসে কি করছিস বেকে যাবে যে।
আমি- না না সে কেন হবে আস্তেই ধরেছি। (মনে মনে বললাম তোমার তো এইরকম লাগবে বাবা পারেনা)
মা- কি বির বির করছিস এই নে তোর মোটা বেগুন বলে ছিরে হাতে দিল।
আমি- না মা কিছু না তোমার হাতে ফসল ভালো হয়, সরু লম্বা বেগুন যেমন আবার মোটা বেগুন সব কটাই ভালো হয়েছে।
মা- কি করব লাগালাম জল দিলাম সার দিলাম ভালো তো হবেই। মাটিও উর্বর। নে অনেক তোলা হয়েছে চল আজ আর লাগবেনা এতে দুই তিন দিন চলে যাবে।
আমি- কি বল দুই তিন দিনে তো শুটকে যাবে ভালো হবে তখন, টাটকার একটা মজা আলাদা।
মা- সে যা বলেছিস টাটকা যত ভালো লাগে পরে আর কি তেমন ভালো লাগে।
আমি- হ্যা ধরলে বেকে যাবে কাজ হবেনা।
মা- হয়েছে আর বলতে হবেনা এবার জল দিতে হবে।
আমি- আচ্ছা আমি দিয়ে দিচ্ছি বলে জল দিতে লাগলাম ১৫ মিনিটের মতন লাগল জল দিতে। মাকে বললাম লাউ চাষ করনি।