গ্রাম্য জীবনের সুখ দুঃখে মা ও ছেলে। - অধ্যায় ৮

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73883-post-6230502.html#pid6230502

🕰️ Posted on Tue Jun 2 2026 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 710 words / 3 min read

আমি- আর আর দেরি করনা তো তোমার কথা শুনতে পারলাম না ঘাম একদম শুকিয়ে গেছে বাড়ি গিয়ে গরু ঘরে তুলতে হবে দেরী হয়ে যাবেনা। ওদের মশায় খাবে। মা- কি করে আমি বলি এমন কথা আর কাউকে বলতেও পারবোনা কোনদিন। আমি- দ্যাখ মা না বললে আমি কিন্তু বুঝতেও পারছিনা বাবা এমন কি বলেছে তাই তুমি বলে ফেল বলছি তো কেউ নেই আর কেউ শুন্তেও পাবেনা এখানে বলে ফেল। ওই কাপড় চোপড় কিনে দিয়েছি তার জন্য নাকি আরো কিছু। মা- হ্যা আগেও বলত কিন্তু ঐ কাপড় দেখার পরে যে এইসব বলবে ভাবতেই পারিনাই। আমি- বললাম দ্যাখ তুমি যদি না বলতে পারো তবে বাড়ি চলো পরে মনে সাহস হলে আমাকে বলবে, একদম অন্ধকার হয়ে গেল। এটা ফাঁকা বলে আলো একটু দেখা যাচ্ছে। কি বলবে তুমি বলনা মা কি এমন বলেছে। মা- প্রথমে বলেছে আমি নাকি অন্য কোন পুরুষের সাথে মেলামেশা করি আর পরে যা বলেছে উফ ভাবতেই পারিনা, এই অপবাদ দেবে সে। আমি- কি এমন পরে বলেছে তুমি বলে ফেল তো আমি তোমার সাথে আছি ভেবনা মা। মা- এবার মাথা নিচু করে বলল, কি বলেছে জানিস উফ কি করে মুখে আনি, তবুও তোকে বলব এখন। আমি- কি বলেছে আমাকে আর তোমাকে নিয়ে। বাজে কথা কি। মা- হ্যা একদম সীমা ছাড়া কথা বাত্রা। আমি- কি বলেছ বলে ফেলেত আর ভালো লাগছেনা আমার। মা- উঃ ভাগবান এমন কথা সে বলেছে বাবা আমি নাকি তোর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করি এমন কথা বলেছে নিজের ছেলের সমন্ধে এমন কোন বাবা বলতে পারে। বলেছে ছেলের সাথে মাঠে যাও আর জঙ্গলে বসে দুইজনে খেলে আসো তাইনা এইভাবে ছেলেকে বসে নিয়ে নিয়েছ তুমি আমি বুঝিনা। য়ারো বাজে ভাষায় বলেছে, যা মুখে আনা যায়না। আমি কি করব বল এই অপবাদ মানা যায়। মা ছেলের সম্পর্ক কলঙ্কিত করছি নাকি সেই কথা বলেছে। আরো অনেক গালাগাল দিয়েছে যা মুখে আনা যায়না। আমি- একদম চুপ করে বসে রইলাম বাবা এমন কথা মাকে বলেছে, মাথা কাজ করছিল না। চুপকরে বসে আছি। মা- বলল কিরে শুনলি তো কি বলেছে এবার আমাকে বল আমার কি করা উচিৎ ওর সাথে আমি আর থাকবোনা। না করে এমন অপবাদ নেওয়া যায়। যদি করতাম তবে না হয় শুনে চুপ থাকতাম, কিন্তু আমি তোর বাবা ছাড়া কারো সাথে কোনদিন সেভাবে কথা পর্যন্ত বলিনা। এমন কি মেয়ের শ্বশুর এলেও না। আর আজ আমাকে এই কথা শুনতে হল কিরে চুপ করে থাকবি কিছু বলবি না। এর বিচার করতে পারবি। নিজে এদিক ওদিক কি করে আসে কে জানে সেই অপবাদ আমাকে দিল তাই নিজের ছেলেকে নিয়ে এসব তো কোনদিন আমি কল্পনাও করিনি। আমি- এবার মুখ খুললাম আর বললাম মা ওনাকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে, না হলে হবেনা ভেবেছিলাম যাক কাজ বাজ করছেনা আমি হাল ধরি তারজন্য এইসব তোমাকে শুনতে হল কিছু না করে। খুব বাজে কথা তোমাকে বলেছে, মা ছেলের পবিত্র সম্পক নিয়ে উনি কথা বলেছে। মা- তাহলে তুই একবার ভাব আমি কি করে এই কথা সহ্য করে আছি, কিছু করতাম তাহলে বললে না হয় মানা যেত। তুই এবার বল কি করবি এর বিচার করতে পারবি। আমি- হ্যা যেভাবে হোক ওনার বিচার করতে হবে, ওনাকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে, না হলে উনি আরো পেয়ে বসবেন। আর এভাবে মুখ বুঝে থাকা যাবেনা। সব বাজে বাজে কাঁচা কথা তোমাকে বলেছে তাই না, সে আমি বুঝেছিলাম তোমাকে কিছু বলেছে কিন্তু এই কথা সে আমি ভাবি নাই। মা- তবে বাবা যা করবি সাবধানে করবি, লোক জানাজানি হলে সমাজে মুখ দেখাতে পারবো। সবাই জানলে বলবে এটা সতিও হতে পারে স্বামী কি না দেখে বলছে তাই বলবে। তাই যা করবি সাবধানে চুপিসারে। না করে এই অপবাদ আর যদি সত্যি কিছু করতাম তো আমাদের মেরে ফেলত। আমি- মা আর পারবেনা, ওনার ক্ষমতা সেশ এবার যা করার আমরা করব। এমনিতে তো বাড়িই থাকেনা, তোমার সাথে তো কখনো ভালো ব্যবহার করেনা দেখেছি। মা- সে তুই আজকে বলছিস কয়েক বছর ধরে এইরকম ব্যবহার করে আসছে, তা তুই কি ভাবছিস কি করবি। এমন অপবাদ না করে ভাবা যায় তুই বল। কি ভাবছিস তুই কি করবি। আমি- বললাম আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে না করেই যখন এমন অপবাদ পেয়ে গেছি আমরা। মা- হ্যা একদম তাই, তাও তপকে নিয়ে অন্য কাউকে নিয়ে বললেও মানান যেত। এই কথা মেনে নেওয়া যায়। যা নিয়ে একবারের জন্য আমি ভাবি নাই, তুই কি ভেবেছিস এমন কথা। আমি- আবার চুপ করে বসলাম কিছুই বললাম না মনে মনে ভাবলাম তুমি না ভাব্লেও মা আমি অনেকদিন ধরে যে তোমাকে চেয়েছি সেটা তো বলা যাবেনা। মা- কি হল চুপ করে গেলি আবার, বল আমাকে তুই এমন কিছু ভেবেছিস। তোর বাবা এমন কথা বলবে। এমন কিছু হতে পারে।