সংগৃহীত অজাচার গল্প - অধ্যায় ১০২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70144-post-6252468.html#pid6252468

🕰️ Posted on Tue Jun 30 2026 by ✍️ Jaforhsain (Profile)

🏷️ Tags:
📖 1153 words / 5 min read

নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষা সুমনা একা একা বাসায় বসে আছে। তার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে এই ছোট্ট ফ্ল্যাটটা তার জন্য একটা কারাগার হয়ে উঠেছে। তার শরীরটা এখনও যৌবনের জ্বালায় জ্বলছে। রাতের বেলা, যখন ঘুম আসে না, সে নিজের হাত দিয়ে নিজেকে সান্ত্বনা দেয়। তার বড় বড় স্তন, মোটা নিতম্ব, আর সেই গরম গরম গুদটা – সবকিছু যেন তার শরীর থেকে চিৎকার করে বলে, “আমাকে ছুঁয়ে দাও, ভরিয়ে দাও!” কিন্তু সে জানে, এসব ভাবনা পাপ। সে বিধবা, সে একজন একা মা। তার একমাত্র ছেলে অভি, উনিশ বছরের তাগড়া যুবক, কলেজে পড়ে। তার ছেলে অভি তার দিকে তাকালে, সে বুঝতে পারে যে ছেলেও তাকে মনে মনে কামনা করে। যে কামনার লোভটা লুকানো যায় না, সেটা সে অনুভব করে। কিন্তু সে মা, মা হয়ে সে কীভাবে নিজের পেটের ছেলের সেই লোভকে স্বীকার করবে...? এক রাতে, বৃষ্টির ঝমঝম শব্দে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় সুমনার। সে শাড়ি পরে শুয়েছিল, কিন্তু গরমের কারণে শাড়িটা একটু উপরে উঠে গেছে। সে অনুভব করলো তার পায়ের কাছে কিছু একটা নড়াচড়া করছে। চোখ খুলতেই দেখে অভি, তার ছেলে, সে বিছানায় উঠে এসেছে। অভির চোখ লাল, শ্বাস ভারী। “মা, আমি আর পারছি না,” সে ফিসফিস করে বলে। সুমনা চমকে উঠে, “কী বলছিস তুই? সরে যা এখান থেকে!” কিন্তু অভি তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার শক্ত হাত সুমনার হাত মুঠোয় ধরে রাখে। “না মা, তুমি আমার। তোমার এই শরীর আমার জন্য তৈরি। আমি এখন তোমার এই বড় বড় ডবকা দুধগুলো টিপবো, চুষবো, তোমাকে চুদবো!” সুমনা অবাক হয়ে যায় তার ছেলের কথা শুনে। যদিও সে এমনটা হতে পারে আগেই অনুমান করতে পেরেছিল, কিন্তু শত হলেও সে তার নিজের মা। তাই সে ছটফট করে উঠে আর ছেলেকে সরাতে চেষ্টা করে, “বাজে কথা বলিস না অভি! আমি তোর মা!” কিন্তু অভি তার শরীরের ওজন সুমনার উপর চাপিয়ে দেয়। সে হঠাৎ টান মেরে সুমনার শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে ফেলে। তার বড় বড় স্তন দুটো বেরিয়ে আসে, লালচে নিপল দুটো শক্ত হয়ে যায়। অভি চুপচুপ করে চুষতে শুরু করে। “আহহ...., মা...., তোমার দুধ কত মিষ্টি!” সুমনা বলে উঠে, “ছাড়, অভি! এটা পাপ! আমি তোর মা” কিন্তু তার শরীর বিশ্বাসঘাতকতা করে। তার গুদটা তখন ছেলের স্পর্শ পেয়েও ঠিকই ভিজে যায়, গরম রস বেরিয়ে আসে ভিতর থেকে। অনেক দিনের অভুক্ত কামনার শরীর। অভি তার হাত নামিয়ে দেয় সুমনার পেটে, তারপর সেই গরম জায়গায়। আঙ্গুল ঢোকাতেই সুমনা কেঁপে ওঠে। “দেখো মা, তোমার গুদ কতটা ভিজে গেছে...! আমি জানি তুমিও চাও এটা! তুমিও ভাল নেই! তোমারও অনেক জ্বালা মা..” তবুও সুমনা প্রতিবাদ করে, পা ছুঁড়ে মারে, কিন্তু অভি তার পা দুটো চেপে ধরে। সে তার প্যান্ট খুলে ফেলে। তার লিঙ্গটা বেরিয়ে আসে – বেশ লম্বা আর মোটা, শিরাগুলো স্পষ্ট ফুলে উঠেছে। “এটা তোমার জন্য মা! তোমার গুদে এখন ঢোকাব!” সুমনা চোখ বন্ধ করে ফেলে, “না, না বাবা! ভুলেও এটা করিস না তুই!” বলে চিৎকার করে উঠে সে। কিন্তু অভি তার শাড়ির নীচে হাত ঢুকিয়ে পেটিকোট ছিঁড়ে ফেলে। তার গুদটা ছিল একদম খোলা, চুলে ভরা, সেখান থেকে গরম গরম রস ঝরছে। অভি আস্তে করে তার লিঙ্গটা ঘষে দেয় সেই ফুটোয়। “আহহ, মা, কত টাইট তোমার গুদ!” এক ঠেলায় ঢোকিয়ে দেয় অভি তার আখাম্বা লিঙ্গটা তারই জন্মস্থানে। তার মা সুমনা ব্যথায় চিৎকার করে উঠে, “আউচ! বের কর মাদারচোদ! এই সর্বনাশ করিস না! এটা পাপ!” কিন্তু অভি কোন কিছুতেই থামে না। সে জোরে জোরে ঠাপ মারতে শুরু করে মায়ের টাইট গুদে। প্রত্যেক ঠাপে সুমনার শরীর কেঁপে কেঁপে উঠে। “এই দেখো, আমি চোদছি তোমাকে মা! তোমার গুদ আমার লিঙ্গে চেপে চেপে ধরছে! আহহ, কি সুখ মা! কত ভালো লাগছে! তোমারও নিশ্চয়ই অনেক সুখ হচ্ছে, তাই না!” সুমনা কাঁদছে, তার চোখে অশ্রু, কিন্তু তার শরীরটা সাড়া দিচ্ছে। তার স্তন দুটো ঠাপের তালে লাফাচ্ছে, নিতম্ব উঁচু হয়ে যাচ্ছে। অভি তার একটা হাত ছাড়িয়ে দিয়ে স্তন মুঠোয় নিয়ে চিমটি কাটে। “এখন আমি তোমার ডবকা দুধগুলো টিপবো আর চুষবো, মা..! তুমিই আমার ঘরের মাগি!” সে ঝুঁকে চোষতে ও কামড়াতে থাকলো। সুমনার মুখ থেকে সুখের আবেশে শব্দ বেরিয়ে আসে – “আহ… না… ছাড়…” কিন্তু তখনও তার গুদটা ঠিকই তার ছেলে অভির লিঙ্গকে চুষছে। অভি আরও জোরে ঠাপ দেয়, “আমি চুদে চুদে তোমাকে আমার করে নেব মা! তোমার পাছা চুদবো, তোমার মুখে চুদবো!” সুমনা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে, সে নখ বসায় অভির পিঠে, কিন্তু অভি থামে না। তার ঠাপের গতি আরও বেড়ে যায়, ঠাপাতে ঠাপাতে ঘাম ঝরে শরীর মিলেমিশে যায়। “আমার আসছে মা...! তোমার ভিতরেই আজকে মাল ফেলব আমি!” তারপর একটা প্রচন্ড জোরে ঠাপ দেয় সে, তার লিঙ্গের ঠাপের ঠেলায় তার গুদ বিস্ফোরিত হতে থাকে। গরম গরম মাল সুমনার গুদে ঢেলে দেয় ছেলে অভি। তারপর সুমনার শরীর কাঁপতে কাঁপতে শেষে শান্ত হয়, তার শরীর তার ছেলে অভির নিচে ধীরে ধীরে নরম হয়ে যায়। অভি তখনও তার উপর শুয়ে থাকে, শ্বাস ফেলে। সুমনা একদম চুপচাপ। তার মনে ঘৃণা, লজ্জা, কিন্তু একটা অদ্ভুত তৃপ্তি। “তুই কী করলি এটা?” সে ফিসফিস করে। অভি উঠে বসে, “মা, তুমি আমার। এটা মাত্র শুরু।” সুমনা কাঁদতে কাঁদতে উঠে চলে যায় বাথরুমে। সে সবকিছু ধুয়ে নেয়, কিন্তু তার শরীরের সেই অনুভূতি আর যায় না। রাতে ঘুম আসে না। সে ভাবে অভির সেই শক্ত লিঙ্গটা, তার ঠাপের জোর। “সে জানে এটা পাপ… কিন্তু তার কেন এত ভালো লাগল?” পরের দিন সকালে, অভি কলেজ যায়। সুমনা একা। তার শরীর জ্বলছে। সে নিজেকে স্পর্শ করে, কিন্তু তৃপ্তি হয় না। সন্ধ্যায় অভি ফিরে আসে। সুমনা রান্না করছে। অভি পিছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরে। “মা…” সুমনা কেঁপে ওঠে, কিন্তু এবার সে ছাড়ায় না। “অভি… না…” বলে, কিন্তু তার হাত অভির দিকে যায়। অভি তার শাড়ি তুলে দেয়। “মা, তুমি চাও না?” সুমনা চুপ। অভি তার আঙ্গুল ঢোকায়। সুমনা কাতরে ওঠে, “আহ… হ্যাঁ…” এবার সে নিজেই অভিকে টেনে নিয়ে যায় বিছানায়। “চোদ আমাকে, ছেলে!” সুমনা বলে। অভি অবাক, কিন্তু খুশি। সে তার লিঙ্গ বের করে। সুমনা নিজে হাত দিয়ে ধরে, চুষতে শুরু করে। “আহ, কত বড়! তোর মাগোর লিঙ্গ আমার মুখে!” সে চুষে, চাটে। অভি কেঁপে কেঁপে উঠে, “মা, তুমি এত রেন্ডি!” সুমনা উপরে উঠে বসে, তার গুদে অভির লিঙ্গ ঢোকায়। “আহহ, অভি চুদে দে আমায়! তোর মাল আমার গুদে ফেল বাবা!” অভি ঠাপাতে শুরু করে। তার স্তন লাফায়, পাছা নড়ে। অভি নীচ থেকে ঠেলে, “আমি চুদছি তোমাকে মা, আমার মাগি মা! তোমার এই গুদ এখন থেকে শুধু আমার!” তারা দুজনে মিলে চোদাচুদি করে। সুমনা চিৎকার করে, “আরও জোরে! পাছায় ঢোকা!” অভি তাকে উল্টো করে, পেছন থেকে ঢোকায়। তার পাছার ফুটোয় আঙ্গুল দিয়ে খেলে, তারপর লিঙ্গ ঠেলে। “আহ, মা, তোমার পাছা কত টাইট!” সুমনা কাতরায়, “চোদ, মাদারচোদ ছেলে! আমাকে তোর দাসী বানা!” তারা রাতভর চোদে। সুমনা আর লজ্জা করে না। সে অভির লিঙ্গ চুষে, তার মাল গিলে। “তোর মাল আমার ওষুধ!” সে বলে। পরের দিনগুলোতে, সুমনা নিজেই অভিকে ডেকে চোদাতে শুরু করে। সকালে, রান্নাঘরে, অভি এলে সে শাড়ি তুলে দিয়ে বলে, “আমায় একটু চুদে যা অভি! তোর মাগোর লিঙ্গটার জন্য আমার গুদ অপেক্ষা করছে!” অভি তার স্তন চুষে, পেছন থেকে ঠাপায়। “মা, তুমি এখন থেকে আমার স্ত্রী এখন!” সুমনা হাসে, “হ্যাঁ, চোদ আমাকে প্রতিদিন! তোর লিঙ্গ ছাড়া আমি বাঁচব না অভি!” এভাবে তাদের নিষিদ্ধ সম্পর্ক গভীর হয়। সুমনা আর একা নয়, তার শরীরের জ্বালা তারই ছেলে অভির লিঙ্গে মিটে। তারা লুকিয়ে লুকিয়ে চোদাচুদি করে, প্রত্যেকবার নতুন নতুন ভঙ্গিতে। সুমনার গুদ সবসময় ভিজে থাকে অভির জন্য। “তুই আমার সন্তান, আমার প্রেমিক!” সে বলে। অভি তার মাকে জড়িয়ে, “আমি তোমাকে কখনো ছাড়ব না, মা। তোমাকেই চুদব আমি চিরকাল!” --- সমাপ্ত ---