পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলে - অধ্যায় ২১
বোন- আমার কোমর ধরে তুই ভিজে যাচ্ছিস তো দাদা চেপে দাঁরা বলে আমাকে একদম ওর সাথে টেনে মিশিয়ে নিল।
আমি- ইস এমন সময় নামল একটু পরে নাম্লেই পাড়ত আমরা চলে যেতাম তারপরে এখন তো যাওয়া যাবেনা। এখন গেলে তোকে নিয়ে গাছ পার হব কি করে ছোট মামনী কি করছে কে জানে আর যদি বাড়ি চলে যায় তো মা রেগে আগুন হয়ে যাবে বুঝলি।
বোন- না দাদা এইভাবে এখন যাওয়া যাবেনা বৃষ্টি থামুক তারপর যাবো আর ওই গাছের উপর দিয়ে আমাকে কোলে করে নিতে হবে বলে দিলাম জ্বলে পরে যাবো তা না হলে। তুই চেপে থাকতে পারিস না পিঠ ভিজে যাচ্ছে ছিস এসে।
আমি- ধুর ভাইবোনে এইভাবে দারান জায়নাকি বুঝিস না।
বোন- ও তাই বুঝি আর তখন যে হা করে তাকিয়েছিলি আমার দিকে মেয়েকে যখন দুধ দিচ্ছিলাম। তখন লজ্জা করেনি। আমি তো তোর বোন সব বুঝি দাদা।
আমি- দ্যাখ তুই কিন্তু আমাকে লজ্জা দিচ্ছিস ভাগ্নী দুধ খাচ্ছিল কিনা তাই দেখছিলাম। দ্যাখ এইসব কথা আবার মাকে বলিস না মা আমাকে মেরে ফেলবে তাহলে।
বোন- মাকে বলতে যাবো কেন এ কথা কোনদিন আমার বর জান্তেও পারবেনা তোর ভয় নেই, আমি জানি সব ছেলেদের মেয়েদের এই জিনিস দেখতে ভালো লাগে। তুই তার ব্যাতিক্রম না। তুই তো একটা পুরুষ, এতদিনে আমার একটা ভাইপ বাঃ ভাইজি হওয়া উচিৎ ছিল। আমাকে বাবা মা পট করে বিয়ে দিয়ে দিল আর ছেলেটা যে বড় হয়েছে ওর লাগে সেটা তারা বুঝলো না, না মা না বাবা, যদিও বাবা এখন অসুস্থ না হলে তোর জন্য অবশ্যই বউ নিয়ে আসত।
আমি- সব কপাল বুঝলি, না থাকলে কিছু হবেনা না। আমি তাই কোন আক্ষেপ করিনা। তুই আমার বোন চোখ পরে গেছিল কি করব। এই একটা কথা জিজ্ঞেস করব বলবি।
বোন- কি কথা বলনা। আমতা আমতা করার কি আছে বোনের কাছে জিজ্ঞেস করবি তাতে।
আমি- না মানে অনেক কিছু জানতে ইচ্ছে করে তাই বলছিলাম তোর সাইজ কত। কত সাইজের ব্রা বাঃ ব্লাউজ পড়িস। আর না থাক।
বোন- খিল কিল করে হাঁসি দিয়ে হাঁদারাম খুব লজ্জা তাইনা, বউ পুশতে পারবি তুই আমার বরেরর মতন হ্যবলা একটা। অত লজ্জা পাওয়ার কি আছে কিনে দিবি কিছু আমাকে। শোন আমার এখনকার সাইজ ৩৮ ডীডী, বিয়ের আগে তো মাত্র ৩২ ছিল, মেয়ে হওয়ার পরে এখন ৩৮ টাইট হয়ে যায়। কিরে কিনে দিবি আমাকে এক সেটা ব্রা কিনে দিস। ভালো দামী দেখে কিরে দিবি বলনা। বড় কাপ সাইজ কিনে দিবি না হলে ভালো করে ঢাকেনা। বিয়ের পরে যা দিয়েছিস শুধু শাড়ি একটা লেজ্ঞিন্স চেয়েছিলাম মায়ের জন্য তাও দিলি না।
আমি- সে না হয় দিলাম কিন্তু মা বাঃ তোর বর যদি জানে কি বলবে ভেবেছিস একবার।
বোন- কেন গোপনে বুঝি দেওয়া যায়না। ওদের জানাতে হবে কেন, বাজার থেকে নিয়ে এসে তোর ওই ঘরে রেখে দিবি আমি নিয়ে নেব কেউ জানবেনা।
আমি- হ্যা আমি দেই তুমি পরবেনা। তোমার বর দেখবেনা তখন কি বলবে।
বোন- ওর কথা বলিস না তো দেখার সময় আছে কখন খুলবে সেই চিন্তা দেখার সময় আছে নাকি এমনিতে পারেনা। আমার চোখ রাঙ্গানী দেখেই চুপসে যায় ও কি বলবে। ওর কথা তোর ভাবতে হবে না দিবি কিনা তাই বল।
আমি- আচ্ছা দেবো ভাবিস না কালকেই মার্কেটে গিয়ে নিয়ে আসবো আর কি লাগবে তাই বল। শুধু ব্রা আনলে হবে।
বোন- সত্যি দিবি দাদা তবে সাথে দুটো প্যানটিও আনিস, সেম রঙের। তবে বড় কাপ সাইজ আনবি আর প্যান্টী আনবি ৩৬ মাপের কোমর। যদি দিস তোকে আমি পরে দেখাবো।
আমি- ওরে বাবারে কি করে দেখবো সবাই থাকবেনা, যা ভুল ভাল বকছিস তুই দেখবো কি করে।
আশাকরি রাতে বাকিটা দেবো। চলবে.........