পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলে - অধ্যায় ১১
মা- সকালে আমাকে ডেকে বলল চল যাই গিয়ে পেয়ারা পেরে নেই। ভোর ভোর থাকতেই গেলাম এবং অল্প সময়ের মধ্যে সব পেয়ারা পেরে নিয়ে দুজনে বাড়ি এলাম। মা বলল এবার তুই ফ্রেস হয়ে নে আমি খাবারের ব্যাবস্থা করছি।
আমি- আচ্ছা মা বলে আমি ব্রাশ করে ফ্রেস হয়ে মাকে বললাম খেতে দাও। মা আমাকে রুটি আর তরকারী দিল খেয়ে নিয়ে ণৌকা করে বাজারে যাওয়ার আগে মাকে বললাম মা আজকে কি যা বলেছিলাম একটা আনবো। আজকেও অনেক পেয়ারা পেরেছি ভালই দাম পাবো।
মা একটা হালকা হাঁসি দিয়ে ইচ্ছে করলে আনবে, তুমি দিলে আমি পড়ব না কেন অবশ্যই পড়ব দুই বছর হয়ে গেল কেউ তো কিছু দিলনা, ছেলে দিলে মা অবশ্যই পড়বে।
আমি- আচ্ছা মা আমি তোমার জন্য মনের মতন করে কিছু আনবো, আজকে সব কিন্তু পরে আমাকে দেখাতে হবে, কি দেখাবে তো আমাকে।
মা- ছেলে দিলে আর কাকে পরে দেখাবো ছেলেকেই দেখাবো। আচ্ছা সোনা এবার যাও আমি রান্না বান্না করি তাড়াতাড়ি এস তুমি তোমার বোন আবার কখন এসে যায় তার আগে বাড়ি এস।
আমি- হুম বলে নৌকা ছেরে দিলাম পেয়ারা নিয়ে সোজা ভাসমান বাজারে গেলাম ভালো দামে বিক্রি করলাম। ৯ টার মধ্যে বিক্রি করে নৌকা বেঁধে মার্কেটে উঠলাম। আজকে অন্য দোকানে গেলাম। গিয়ে মায়ের জন্য একটা কালো আরেকটা লাল স্লিভলেস ব্লাউজ নিলাম। সাথে দুটো ভালো ব্রা নিলাম। এবং এক জোড়া প্যান্টি নিলাম রং ম্যাচিং করে। আর নিলাম মায়ের জন্য লিপস্টিক। এরপর একটা পাতলা দেখে জর্জেটের শাড়ি নিলাম। এরপর নিজের জন্য একটা জাঙ্গিয়া নিলাম ভালো দেখে সাথে নিলাম একটা শর্ট প্যান্ট। তারপর আবার নৌকা করে বাড়ি ফিরলাম।
মা- আমাকে দেখেই এসেছিস বাবা তোর বোন এখনও আসেনি ফোন করেছিল আসবে সন্ধ্যে বেলা রাতে থাকবে। বেলা ১১ টা বেজে গেল রান্না শেষ করে ফেলেছি আয় স্নান করে আয় খেতে দেই।
আমি- বাবাকে খাইয়েছ তুমি।
মা- হ্যা ওকে খাইয়েই তারপর দুপুরের রান্না করতে বসেছি। কেন বাবা এখন কোন কাজ করবি। কিছু খাবিনা।
আমি- হ্যা হালকা কিছু খাবো বাগানে যাবনা ঘর করতে হবে তোমার মনে নেই।
মা- এক কাজ কর এখন স্নান করে নে দুজনে খেয়ে দেয়ে তারপর আমিও যাবো তোর সাথে তোকে সাহায্য করতে আমিও।
আমি- তা মন্দ হয় না। তবে তুমি স্নান করেছ।
মা- হ্যা আমি তোর বাবাকে খাইয়ে দিয়েই স্নান করে নিয়ে রান্না বসিয়েছি তোর মুরগী খুব ডাকছিল ওকেও গম দিলাম খেয়ে চুপ করেছে। যা তবে স্নান করে আয়।
আমি- আচ্ছা বলে গামছা নিয়ে খালে গেলাম স্নান করতে তারপর ফিরে এসে লুঙ্গি পরে খেতে বসলাম।
মা- আমাকে ভাত দিয়ে সামনে বসল।
আমি- তুমিও বস একসাথে খেয়ে তারপর যাবো সময় লাগবে বোন আসলে তো কিছুই করতে পারবেনা। নাতি মেয়ে আসবে সাথে জামাইও আসবে। তুমি বস কাঠামো দার করাতে পারলে আমি একা সব পারবো। বাঁশ খুটি নেওয়া আছে কয়দিন ধরেই ভাবছি বানাবো। পেরেক তার নিয়ে এসেছি।
মা- আচ্ছা তবে আমিও বসি বলে মা ভাতের থালা নিয়ে বসে পরল।
দুজনে খাওয়া দাওয়া করে ঘরে গেলাম বাবাকে বললাম আমি আর মা যাচ্ছি বাগানে ঘর করত হবে পাহারা দেওয়ার ঘর।
বাবা- পেয়ারা পাকা শুরু করেছে তাইনা। আমি দুপুরের খাবার খাবোনা খুব খিদে পেয়েছে আমার আবার।
আমি- হ্যা এখন পাহারা না দিলে সব বাদুরে নষ্ট করে দেবে। তবে মা তুমি বাবাকে খাবার দাও আমি গিয়ে কাজ শুরু করি কেমন।