ছায়ার আড়ালে আগুন-Erotic Thriller [Part-4: অন্তিম যুদ্ধ] - অধ্যায় ৮৮

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-74238-post-6291670.html#pid6291670

🕰️ Posted on Thu Aug 20 2026 by ✍️ indonetguru (Profile)

🏷️ Tags:
📖 345 words / 1 min read

গল্প: "ছায়ার আড়ালে আগুন" (পার্ট-৪: অন্তিম যুদ্ধ) অষ্টাশীতি পরিচ্ছেদ: গুদামের চোখ গুদামের বাইরে রাতের অন্ধকার। রাস্তায় লোকজন কম। অংশুমান জিপটা কিছুটা দূরে, গাছের আড়ালে রাখলেন। ইঞ্জিন বন্ধ করে হেঁটে এগোলেন। গুদামের পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকলেন। ভেতরে আলো কম। করিডোরে একটা নলকূপের আলো জ্বলছে। দূরে অফিস রুমের দরজা আধখোলা। ভেতর থেকে কাগজ সরানোর শব্দ, চেয়ার সরানোর শব্দ। অন্তরা সেখানেই। অংশুমান সেদিকে না গিয়ে সোজা সিসিটিভি মনিটরের ঘরের দিকে এগোলেন। পদক্ষেপ হালকা। দরজা আস্তে ঠেলে খুললেন। ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করলেন। লাইট জ্বালালেন না। শুধু স্ক্রিনগুলোর নীল আলো। কয়েকটা মনিটরে গুদামের বিভিন্ন কোণ দেখা যাচ্ছে—তাক, গেট, করিডোর। তিনি চেয়ারে বসলেন। হাত কীবোর্ডে গেল। তারিখ ও সময় সেট করলেন। সূর্য যেদিন টিউব পাঠিয়েছিল, সেই সময়। ফুটেজ চালু হল। কালো-সাদা ছবি। গুদামের করিডোর। তাক। বাক্স। কয়েকজন মজুর আসছে-যাচ্ছে। কেউ মাল নামছে, কেউ সিগারেট ধরাচ্ছে। সময় এগোচ্ছে। তারপর একজন মহিলা এলেন। শাড়ি পরা। হাঁটা চেনা। কাঁধের ভঙ্গি চেনা। তিনি ক্যামেরার নিচে এসে মুখটা একবার ঘুরালেন। আলোয় মুখটা স্পষ্ট। অংশুমান স্ক্রিনের কাছে ঝুঁকলেন। চোখ বড় হয়ে গেল। সেই মহিলা। তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত। যাকে সে সবকিছু বলেছে। যার ওপর সে নির্ভর করেছে। যাকে সে নিজের লোক ভেবেছে। ভিডিওতে মহিলা তাকের দিকে গেলেন। একটা ছোট বাক্স খুললেন। ভেতর থেকে টিউবটা বের করলেন। চারদিকে একবার তাকালেন—ক্যামেরার দিকেও। তারপর নিজের ব্যাগে পুরে দিলেন। ব্যাগ বন্ধ করলেন। দ্রুত বেরিয়ে গেলেন। ক্যামেরা তার পিঠ দেখাল। শাড়ির আঁচল দুলছে। তারপর করিডোর খালি। অংশুমান হতভম্ভ হয়ে গেলেন। চেয়ারের হাতল শক্ত করে ধরলেন। মুখ শুকিয়ে গেল। তিনি আবার রিওয়াইন্ড করলেন। আবার দেখলেন। একই দৃশ্য। একই মুখ। একই হাত। একই ব্যাগ। তিনি তৃতীয়বারও দেখলেন। বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। বুকের ভেতরটা খালি হয়ে যাচ্ছিল। মায়ের গাড়ি। সেই টিউব। আর এখন এই মুখ। তিনি উঠে দাঁড়ালেন। স্ক্রিনের দিকে এখনো তাকিয়ে। শরীর শক্ত। ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা শব্দ হল। পদক্ষেপ। অংশুমান ঘুরতে গেলেন। ঘুরতে না ঘুরতেই মাথার পেছনে ভারী কিছু নেমে এল। ব্যথাটা এক মুহূর্তে মাথা জুড়ে ছড়িয়ে গেল। চোখে কালো দাগ নাচতে লাগল। হাঁটু নরম হয়ে গেল। তিনি টেবিল ধরতে গেলেন। হাত পিছলে গেল। স্ক্রিনটা ঝাপসা হয়ে এল। অংশুমান অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়লেন। মনিটরের আলো তার মুখে পড়ে রইল। ফুটেজ এখনো চলছে—খালি করিডোর, খালি তাক। ঘর নীরব। শুধু যন্ত্রের মৃদু গুঞ্জন।