অঘটনঘটন পটিয়সী (নতুন আপডেট ৩৭) - অধ্যায় ২৪৬

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-52771-post-6289788.html#pid6289788

🕰️ Posted on Mon Aug 17 2026 by ✍️ কাদের (Profile)

🏷️ Tags:
📖 1738 words / 7 min read

ঞ সিনথিয়ার যাবার বাকি আছে আর দুই দিন। সকাল বেলা বাসায় কেউ নেই আসমা বেগম আর সাফিনা ছাড়া। সাফিনা আজকে সকালে অফিস যান নি। দুপুরের দিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে একটা মিটিং আছে। কলেজ আর শিক্ষা বোর্ড দুই দিকে। সকালে কলেজে গিয়ে আবার দুপুরে বোর্ডের মিটিং ধরা অনেক কঠিন হবে। তাই প্রিন্সিপাল কে বলে অফিসে যান নি। সিনিয়র শিক্ষিকা বলে প্রিন্সিপাল এইসব ব্যাপারে না করেন না খুব একটা। ডাইনিং টেবিলে বসে মা মেয়ে চা খাচ্ছিলো। সাফিনা কিছুটা আনমনা। আসমা বেগম জিজ্ঞেস করলেন কিরে মন খারাপ। মায়ের দিকে তাকিয়ে একটু হাসলেন সাফিনা। বললেন হ্যা। সিনথিয়া চলে যাবে দুই দিন পর। বাসা খালি খালি হয়ে যাবে। আসমা মাথা নাড়েন, বলেন সিনথিয়া হলো ঝড়ের মত। যতক্ষণ থাকে মাতিয়ে রাখে। এরপর না থাকলে বেশি ফাকা ফাকা লাগে। সাফিনা মায়ের পাশে বসা। হাত বাড়িয়ে আসমা বেগমের হাতটা ধরলেন। এই ৪৬ বছর বয়সে এসেও মায়ের হাত ধরলে ভাল লাগে। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে মা মেয়ে দুইজন হাত ধরে বসে থাকেন। আসমা খেয়াল করেছেন সিনথিয়া বিদেশ যাবার পর থেকে সাফিনা একটু চুপচাপ হয়ে গেছে। ফোনে কথা বলার সময় মেয়ের গলায় এক ধরনের বিষাদ টের পান তিনি। বিয়ের এই কয় দিন হইচই উল্লাসের মাঝে আগের সাফিনা খানিকটা ফিরে এসেছিল তবে আজকে আবার সাফিনার চেহারায় পুরাতন বিষাদের ছায়া। মায়েদের যত  বয়স হোক না কেন মায়েরা সারাজীবন মা থেকে যায়। মেয়ের মুখে বিষাদের ছায়া দেখে আসমা বেগমের ভাল লাগে না। সাফিনা সব সময় তার ভাইবোনদের মাঝে চাপা স্বভাবের। সাফিনার মাথায় কি ঘটছে এটা বুঝা কঠিন। আসমা জিজ্ঞেস করেন তোর সব ঠিক আছে তো মা? সাফিনা বলেন সব ঠিক আছে মা এই বলে হাসে সাফিনা। আসমা বেগম বলেন মায়ের কাছে কি লুকাতে পারবি? সাফিনা বলেন, অফিসের চাপ, বিয়ের আয়োজন, সিনথিয়া চলে যাবে সব মিলিয়ে একটু টায়ার্ড মা। আসমা বেগম শুনেন। ভাবেন অল্প সময়। তারপর বলেন, তোর জীবনে যে সময়টা পার করছিস এইটা প্রত্যেকটা মা পার করে। সন্তানরা বড় হয়ে যায়। নিজের নিজের জীবনের জন্য ঘর থেকে বের হয়ে যায়। তোরাও ভাই বোনেরা এক সময় এমন করে বের হয়ে গেছিস। আমি জানি এই সময়টা কেমন যায়। মায়েরা সারাটা জীবন গড়ে তোলে সন্তানদের কেন্দ্র করে আর একটা সময় টের পায় এই সন্তানরা তাদের নিজ নিজ জীবন গড়ে তুলেছে। তখন যে একটা শূণ্যতা তৈরি হয়, একটা ফাকা অনুভূতি বুকে জন্ম নেয় এইটা তুই চাইলেই এড়াতে পারবি না মা। তোর তো তাও ভাল চাকরি করিস। আমি বাড়িতে একা। তোর বাবা সারাটা দিন বাইরে বাইরে ঘুরে। তোর যখন বিয়ে হলো তখন আমার বয়স কত হবে, তোর এখনকার বয়স থেকে চার পাচ বছর বেশি হবে হয়তো। মেয়েদের মেনোপোজ হয় সেই সময়টা। সব মিলিয়ে কি যে দিন গেছে তখন বলে বুঝাতে পারব না। আর এই জন্য আমি কিছুটা হলেও তোর মনের ব্যাথাটা বুঝি। সাফিনার চোখ ছল ছল করে। কখনো তো কিছু বল নি মা। আসমা বেগম উত্তর দিলেন মায়েরা কিছু বলে নারে। তুই কিছু বলেছিস সাবরিনা সিনথিয়া কে? আর আমাদের যুগে তো মায়েরা আর চেপে রাখত নিজেদের শোক আনন্দ। সাফিনার গলা ধরে আসে। সন্তানরা যত ভাবুক তাদের বাবা মা কে জেনে ফেলেছে তবু আর কতটুকু জানতে পারে। এই মধ্য চল্লিশে এসেও মায়ের কত কিছু অজানা তার। সাফিনা তার মা কে অভয় দিতে চায়। বলে আমাদের সময় আরেকটু পালটেছে মা। চিন্তা করো না। তুমি আমাদের কিছু বলো নি আমরাও ধরতে পারি নি কিন্তু সিনথিয়া ঠিক ধরে ফেলেছে আমার ব্যাপারটা। গত কয়দিন ধরে দেখ না খালি আমার সাথে কথা বলে। আসমা বললেন, সিনথিয়া উড়নচন্ডী হলেও ওর মনটা খুব ভাল। সাবরিনা খুব ভাল মেয়ে তবে ওর চোখে অত কিছু পড়ে না সিনথিয়ার চোখে যা যা পড়ে। সম্মতিতে মাথা নাড়েন সাফিনা। সাফিনা আবার বলে তার উপর সেই সময় বাবা যতটা সংসার থেকে দূরে থাকতে এই সময়ের পুরুষরা অত দূরে থাকে না। মিজবাহ বাবার মত খালি টাকা দিয়ে খতম না। হেসে উঠেন দুইজন। আসমার স্বামী, সাফিনার বাবা মারা গেছে অনেক বছর। মানুষটা শেষ দুই বছর অসুস্থ হবার আগে প্রচন্ড প্রতাপে বাড়ি শাসন করে এসেছিলেন। সেই বিষয়ে কিছুক্ষণ গল্প করেন তারা। দুইজনে মেনে নেন সাফিনার বাবার ধারে কাছে মেজাজ নেই মিজবাহর বরং অনেক বেশি শান্ত শিষ্ট। খালি সাফিনার বাবার সাথে যদি কিছু মিলে সেটা মিলে যায় দুইজনেই কাজ পাগল। এই বিষয়টা আসতে সাফিনা আবার একটু চুপ হয়ে যায়। আসমা বেগম বুঝতে পারেন। অনেক দিন হয়েছে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তাই সাথে না থাকলেও কিছু জিনিস জানেন তিনি। আজকাল তার মেয়ের জামাই যে প্রচুর কাজ কাজ করে সেটা তিনি নিজেই দেখেছেন। তবে তার মেয়ে কে যে ভালবাসে সেটা তো তিনি জানেন। জিজ্ঞেস করবেন কি করবেন না সেটা ভাবতে থাকেন। বিষয়টা সাফিনার জন্য সেনসেটিভ। তার জানা মতে এই একটা বিষয়ে মিজবাহ এর মতামত সাফিনা মেনে নিতে পারে নি কখনো। তবু জিজ্ঞেস করেন, তোদের ছেলে না হওয়া বা আরেকবার বাচ্চা নেবার ট্রাই না করার জন্য কি মিজবাহ তোকে কিছু বলে এখনো? সাফিনা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। মা কে একসময় এই বিষয়টা শেয়ার করেছিল হালকা পাতলা। বাকিটা আসমা বেগম নিজের পর্যবেক্ষণে মিলিয়ে নিয়েছিলেন। সাফিনা বলে মা তোমার কি মনে হয়? মিজবাহ তেমন ছেলে? আমাকে এইসব বিষয়ে খোটা দিবে? তবে তোমাকে তো আগে বলেছি মা মিজবাহ কোন বিষয়ে মন খারাপ করলে চুপ করে যায়। আবার ওর ভাইয়ের ছেলেদের নিয়ে ওর উচ্ছাস দেখার মত ঠিক ভাইয়ের মেয়েদের নিয়ে অতটা উচ্ছাস নেই। যদিও সিনথিয়া সাবরিনা কে মিজবাহ জীবন দিয়ে ভালবাসে। তাও একটা মানুষের সাথে এত বছর ঘর করলে তো বুঝা যায় কি চায় মানুষটা। তাই মনে হয় মাঝে মাঝে পিএইচডি করতে গিয়ে আমি কি ভুল করলাম। তখন যদি আরেকটা বাচ্চা নেবার ট্রাই করতাম তাহলে কি হতো? আসমা, সাফিনার হাত চেপে ধরেন। বলেন, এইভাবে ভাবিস না মা। তুই কি কম করেছিস। সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে হবে সেটা আল্লহর হাতে। তিন নাম্বার বাচ্চা হলে সেটা ছেলে হতো তার তো গ্যারান্টি নাই। তখন কি হতো? মানুষের জীবনে আফসোসের তো শেষ নেই। একটা পাওয়া হলে আরেকটা না পাওয়া থেকে যায়। তুই এটা মিজবাহ কে বুঝিয়ে বল। হাসে সাফিনা। বলে মা বলেছি মেনেও নিয়েছে। তবে কি জান মানুষের অনেক রকম আশা থাকে যেটা সারাজীবন মানুষ পাবে না জানলেও মনে পুষে রাখে। ছেলে সন্তানের এই আশাটা সম্ভবত মিজবাহের জীবনে এমন। এত পড়াশুনা করে আধুনিক হলেও কোথাও এই দিকটা রয়ে গেছে ওর। মিজবাহ মনের আশা পুষে রেখে বাস্তবতা মেনে নিয়েছে, আমিও নিয়েছি। আর আজকাল অনেক ব্যস্ত হয়ে গেছে মিজবাহ। প্রমোশন, নতুন অফিস সব মিলিয়ে। আসমা বলেন ধরে নে মেয়ে দুইজন কে বিয়ে করিয়ে তোরা দুইটা ছেলে পেয়েছিস। সাদমান আর মাহফুজ দুইজন সোনার টুকরা ছেলে। সাদমান যেমন শান্ত শিষ্ট আর ভদ্র ছেলে এমন কম দেখা যায়। আর মাহফুজ তো রুমে ঢুকলে রুম আলো করে ফেলে। তোর দুই মেয়ের মত তোর দুই জামাই আলাদা তবে দুইটাই সোনার টুকরা। সাফিনা হেসে বলেন সাদমান কে নাহয় কয়েক বছর ধরে দেখছ মাহফুজ কে এত তাড়াতাড়ি সোনার টুকরো উপাধি দিয়ে দিলে। আসমা বেগম হেসে বললেন, তোর মেয়ে কি তুই ভাবিস? আমার সাথে অনেক আগে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল মাহফুজের। মাহফুজ দুইবার এসে ঘুরে গেছে বাড়িতে অনেক আগেই। একবার বাড়িতে খেয়েও গেছে। সাফিনার চোখে মুখে বিস্ময়। তাই!!!!! আসমা বললেন হ্যা। সিনথিয়া এত ভেবে চিনতে কাজ করতে পারে ভাবতেও অবাক লাগে। আসমা বলেন হ্যা সিনথিয়ার অনেক পরিবর্তন হয়েছে তবে আসল ক্রেডিট মনে হয় তোর মাহফুজ কে দিতে হবে। আমার মনে হয় সিনথিয়ার মাথায় এই বুদ্ধি মাহফুজ ঢুকিয়েছে। ও নুসাইবা, সাবরিনা আর আমাকে রাজি করিয়েছে আগে। তারপর তোকে এপ্রোচ করেছে। একদম ধাপে ধাপে। তোকে রাজি করাতে পারলে মিজবাহ মানা করবে না, এই ফ্যামিলিতে তুই হ্যা বললে না বলবে না কেউ। আবার তুই হ্যা বলার আগে নুসাইবার সাথে কথা বলবি, সাবরিনার সাথে কথা বলবি আমার সাথে কথা বলবি এটা সিনথিয়া জানে। মাহফুজ কে বলেছিল। তাই মাহফুজ ধাপে ধাপে সবাই কে রাজি করিয়েছে, যাতে ওদের কাউকে তুই জিজ্ঞেস করলে সবাই পজিটিভ রিপোর্ট দেয়। আমার সাথে ওর অনেক কথা হয়েছে। তোর সম্পর্কে খুটিয়ে খুটিয়ে অনেক কিছু জিজ্ঞেস করেছে। তুই কেমন কি করতে ভালবাসিস কি খেতে ভালবাসিস কি পড়তে ভালবাসিস। চিন্তা কর কতটুকু পরিশ্রম করেছে খালি তোর মতামত পাবার জন্য। যে ভালবাসার জন্য এতটুকু করবে তাকে সোনার টুকরো ছেলে বলব না তো কাকে বলব। মায়ের কথায় দ্বিমত করতে পারবে না। তুই জানিস আমাদের বাড়িতে এসে পুরাতন ছবি দেখছিল এলবামে মাহফুজ। বাড়ির সবার সম্পর্কে খুটিয়ে খুটিয়ে প্রশ্ন করেছে খালি তোকে নিয়ে না। ভাবা যায় যে বিয়ে হবে কিনা তার ঠিক ছিল না সেই নানা শ্বশুড়বাড়িতে এসে সবার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে। সিনথিয়ার মত মেয়ে কে কেউ কিভাবে এত পাগল বানাতে পারে সেটা ওর সাথে কথা বলে বুঝেছি। সাফিনা একটু হেসে বললেন তোমরা তো সবাই দেখি আমার আড়ালে ষড়যন্ত্র করেছ। সাফিনা বললেন ষড়যন্ত্র না সবাই তোকে কত ভয় পায় সেটা দেখ। দুইজনে হেসে উঠেন কথার এই ছলচাতুরিতে। আসমা বলেন জানিস এলবামের পুরান ছবি গুলো দেখতে গিয়ে তোর নাটকের সেই ছবি হঠাত চোখে পড়ল। কাজল ছিল ছবিতে। সাফিনা চুপ করে যায়। গত কয়েকদিন অনেকদিন ধরে চাপা পড়ে থাকা নামটা বেশ কয়েকবার উঠে এসেছে। আসমা জানেন সাফিনার জন্য এটা একটা বেদনার নাম। আর তার উপর যদি সাফিনার রাগ থাকে তাহলে এই একটা বিষয়ে থাকবে। মায়েরা একটা সময় সন্তানের ভাল এর জন্য অনেক কিছু করলেও পরে একটা সময়ে চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গান বা সেটার জন্য ক্ষমা চান। আসমা এর আলাদা নন। তাই বলেন ছবি দেখতে গিয়ে আমি বুঝেছি আজকে তুই সিনথিয়ার জন্য যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিস অনেক বছর আগে আমি ঠিক সেই জায়গাটায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। তবে তোর মত করে আমি ভাবতে পারি নি। তুই অবশ্য আর ছোট ছিলি। কাজল আর কম বয়স্ক ছিল মাহফুজের তুলনায়। এটাও একটা কারণ তোর মত করে আমি ভাবতে পারি নি। ছবি দেখতে গিয়ে আমি যখন মাহফুজের দিকে তাকালাম তখন কেন জানি আমার মনে হল ওদের দুইজনের গঠন, আচরণ অনেকটা এক রকম। আমি জানি আমার সেই সময়ের ব্যবহার তুই কখনো মন থেকে ক্ষমা করতে পারিস নি আমি জানি কাজল মারা যাবার পর আমি নিজেকে সান্তনা দিয়েছি এই বলে যে তোকে আটকে রেখে ভাল করেছি নাহলে তুই আর ভেংগে পড়তি কাজলের মৃত্যুতে। আমি আসলে তখন সমাজ, তোর বাবা সবার কথা ভেবে তোকে আটকেছি। তবে ভেবে দেখ সেই জন্য তুই মিজবাহ কে পেয়েছিস কত ভাল ছেলে। এই প্রথম আসমা বেগম তার মেয়ের কাছে এত বছর আগের ঘটনার জন্য এক প্রকার অনুশোচনা করলেন। সাফিনার খানিকটা রাগ হয় কি হবে এত বছর পর এসব বলে। মানুষটা নেই এখন। সাফিনা বলেন তোমার কথা ঠিক মা। মাহফুজ কে দেখে আমি প্রথম চমকে গিয়েছিলাম ঠিক একভাবে দাঁড়ায়, কথা বলে ব্যাক ব্রাশ করে। হয়তো এই জন্য আমি সিনথিয়ার বিয়েতে রাজি হয়েছি। অনেক বছর আগে তুমি আমাকে যেখানে মানা করেছিলে সেখানে আমি সিনথিয়া কে মানা করতে চাই নি। হ্যা তুমি যখন মানা করেছিলে তখন আমি কলেজ পার হই নি, কাজল দা মাত্র পড়াশুনা করছে। আমি জানি মিজবাহ কত ভাল। তাও মা। একটু যদি তুমি মানা না করতে তাহলে কি হতো সেই আফসোস আমাকে এখনো ভাবায়। আমি চাই নি আমার মেয়ে কখনো সেই আফসোস করুক ভবিষ্যতে। আসমা বুঝেন কিভাবে নিজের মেয়ের মনে বড় একটা আঘাত দিয়ে দিয়েছেন তিনি বহু দিন আগে। তিনি মেয়ের হাত চেপে ধরেন। সাফিনার চোখ শক্ত। আসমা বলেন তোর সিদ্ধান্ত ভুল না মা। মাহফুজ ঠিক সিনথিয়ার যত্ন নিবে। কাজলের মত ভালবাসা হয়ে থাকবে আবার মিজবাহের মত যত্ন নিয়ে আকড়ে রাখবে। এরপর কেউ আর কোন কথা বলে না। হারিয়ে যাওয়া একটা নামের কথা ভেবে দুইজন চুপচাপ পাশাপাশি হাত ধরে বসে থাকেন।